ইউজার জেনারেটেড কনটেন্ট কী? অনলাইন ব্যবসার জন্য User Generated Content এর গুরুত্ব

ইউজার জেনারেটেড কনটেন্ট

বর্তমানে যারা বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার এর মাধ্যমে ব্যবসা করে থাকে তারা সবাই ইউজার জেনারেটেড কনটেন্ট সম্বন্ধে জানে। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে করা এ সকল কনটেন্ট ব্যবসায়ীদের ব্যবাসার প্রচার প্রসারে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। ইউজার জেনারেটেড কনটেন্ট বিভিন্ন ধরনের হতে পারে যেমন, সার্ভে, রিভিও, ব্লগ পোস্ট, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, ভিডিও, ছবি ইত্যাদি। Business Wire এর তথ্যমতে ব্র্যান্ড কতৃক তৈরি কনটেন্ট এর তুলনায় কনজ্যুমাররা ইউজার জেনারেটেড কনটেন্টকে ২.৪% বেশী পছন্দ করে থাকে। একটি নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে  প্রতিষ্ঠিত করাতে ইউজার জেনারেটেড কনটেন্ট এর গুরুত্ব  অপরসীম।

ইউজার জেনারেটেড কনটেন্ট কি ?

কাস্টমার দ্বারা তৈরিকৃত পণ্য সম্পকে সকল ধরনের কনটেন্টকে ইংরেজিতে User-generated content বা UGC বলা হয়। যখন কোনো কাস্টমার কোনো ওয়েবসাইট থেকে পণ্য কিনে তার মতামত প্রকাশ করে কোন কনটেন্ট তৈরি করে তখন তাকে ইউজার জেনারেটেড কনটেন্ট বলে। এক্ষেত্রে গ্রাহক তার মতামত বিভিন্ন আকারে প্রকাশ করতে পারে যেমন, পন্য সম্পর্কে রিভিউ দিয়ে, কোন একটি সার্ভেতে অংশ নিয়ে, অথবা মেসেজ আকারে তার ব্যক্তিগত সোশ্যাল মিডিয়ায়  প্রকাশ করার মাধ্যমে। এসকল কনটেন্ট গ্রাহক বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায়  প্রকাশ করার ফলে নতুন কাস্টমাররা ঐ পণ্য কিনতে বেশি আগ্রহী হয়ে থাকে। যার মাধ্যমে আমাদের পণ্যের প্রচার আরো ভালোভাবে করতে পারি। এবং খুব সহজে  নতুন গ্রাহকদের বিশ্বস্তা অর্জন করতে পারি।

ইউজার জেনারেটেড কনটেন্ট এর প্রকারভেদ

সাধারণত ইউজার জেনারেটেড কনটেন্ট  তিন ধরনের হয়ে থাকে যেমন, লেখা, ভিডিও, ও ছবি। এই তিন প্রকার কনটেন্ট কে আবার বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, 

ইউজার জেনারেটেড কনটেন্ট কি

১.সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট 

পণ্য ব্যবহার করে কাস্টমার খুশি হয়ে তার সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে পোস্ট করতে পারে। এতে করে তার সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্ত থাকা অন্য সকল বন্ধুরা আপনার পণ্য সম্পর্কে জানতে পারবে। এবং তাদের মধ্যে কারো সেই পণ্যের প্রয়োজন হলে তারা আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।

. কাস্টমার রিভিউ

বিভিন্ন অনলাইন শপ থেকে পণ্য কেনার সময় আমরা ওয়েবসাইটের রিভিও চেক করে থাকি। যদি পণ্যের রিভিও ভালো থাকে আমরা সেই পণ্য কিনতে কোনো দ্বিদ্ধা বোধ করি না। এটি পণ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি করে। যার জন্য পণ্য বা সেবা সম্পকিত কাস্টমারের রিভিউ অনেক বেশি উপকারী। এটি আপনার পেজ বা ওয়েবসাইটের জন্য একটি ভার্চুয়াল সম্পদ স্বরূপ। যা আপনার ব্যবসায়  প্রচার প্রসারে ব্যাপক ভূমিকা পালন করবে।

৩.টেস্টমোনিয়ালস 

 টেস্টমোনিয়ালস বা প্রশংসাপত্র হল আপনার পণ্য নিয়ে কাস্টমার এর অভিজ্ঞতা সম্পর্কিত স্টেটমেন্ট। এই স্টেটমেন্ট ব্যবহার করে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করা যায়। এবং অধিকাংশ ওয়েবসাইটের  নিচের অংশে টেস্টমোনিয়ালস বা প্রশংসাপত্র সেকশন দেওয়া থাকে।

৪.কাস্টমারের শেয়ার করা ভিডিও

অনেক সময় অনলাইন থেকে পণ্য কিনার পর তা ব্যবহার করে কেমন সার্ভিস পাওয়া যাচ্ছে তা জানিয়ে কাস্টমারা ভিডিও রিভিও দিয়ে থাকে। পণ্যের গুনাগুন ব্যবহারবিধি এ সকল তথ্য দিয়ে তৈরি করা কাস্টমারের এধরনের রিভিও অন্যান্য রিভিও এর তুলনায় অধিক কার্যকরী। এক্ষেত্রে কাস্টমারকে এ ধরনের কনটেন্ট তৈরি করার জন্য বিভিন্ন ধরনের অফার দিয়ে তাদেরকে উৎসাহ দেওয়া যেতে পারে। 

৫. কাস্টমারের পাঠানো  ছবি

আপনার পণ্য ক্রয় করা গ্রাহকের কাছে আপনার পণ্য কেমন লেগেছে তার বিস্তারিত জেনে নেবার পরে, আপনি তার কাছে ছবি সহ একটি রিভিও নিতে পারেন। আপনার পণ্য আপনার কাস্টমার ব্যবহার করছে এমন ছবি যদি আপনার সাইটে শেয়ার করতে পারেন, তাহলে নতুন কাস্টমাররা আপনার পণ্য নিতে বেশী উৎসাহী হবে।

৬.ইউটিউব রিভিউ 

বর্তমানে অনেক কাস্টমার পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে Youtube রিভিউ ভিডিওকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে। কাস্টমারকে যদি ইউটিউব লাইভ ভিডিওতে এনে তার থেকে রিভিউ নেওয়া যায় সেটি ব্যবসার জন্য অনেক লাভজনক হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং করতে পারলে বেশি কার্যকারী হয় বলে আমি মনে করি। 

৭. ব্লগ পোস্ট

আপনার পণ্য ব্যবহারের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে কাস্টমাররা  ব্লগ পোস্ট লিখতে পারে। এক্ষেত্রে  আপনার ওয়েবসাইটে ব্লগ পোস্ট লেখার একটি জায়গা রাখতে পারেন। যেখানে কাস্টমার তাদের মতামত শেয়ার করে ব্লগ পোস্ট করতে পারে।

৮.পডকাস্ট করা 

পডকাস্ট আমাদের দেশে জনপ্রিয় না হলেও বাইরের দেশগুলোতে পডকাস্ট  অনেক বেশি জনপ্রিয়। কাস্টমার আপনার পণ্য সম্পর্কে তার মতামত পডকাস্ট এর মাধ্যমে শেয়ার করতে পারে। কাস্টমারের শেয়ার করা পডকাস্ট আপনার নিজের ওয়েবসাইটে শেয়ার করতে পারেন।

৯। সার্ভে

ইউজার জেনারেটেড কনটেন্ট এর আরেকটি প্রকার হচ্ছে সার্ভে। বিভিন্ন সময় বড় বড় কোম্পানিগুলো তাদের পণ্য ও সেবা সম্পর্কিত বিভিন্ন সার্ভে তৈরি করে থাকে। যেখানে প্রশ্ন-উত্তরের মাধ্যমে উক্ত কোম্পানির পণ্য বা সেবা সম্পর্কে গ্রাহকের মতামত নেয়া হয়।  এক্ষেত্রে আপনাকে কিছু টাকা ব্যয় করতে হবে। 

ইউজার জেনারেটেড কনটেন্ট এর গুরুত্ব

অনলাইনে ব্যবসার  প্রচার-প্রচারনার  জন্য  আমরা সচরাচর আমাদের পণ্য বা সেবার বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে কনটেন্ট লিখে থাকি, যাতে করে নতুন গ্রাহকরা আমাদের পণ্য সম্পর্কে জানতে পারে। তবে সব সময়  নতুন গ্রাহকরা ব্র্যান্ড কর্তৃক তৈরিকৃত  লেখাকে বিশ্বাস করতে চায় না। সেক্ষেত্রে আপনার পণ্য বা সেবা ব্যবহারকারী পুরাতন গ্রাহক যদি আপনার পণ্য বা সেবা সম্পর্কে তার মতামত  কনটেন্ট  আকারে প্রকাশ করে আপনার ওয়েবসাইটে পাবলিশ করে, তাহলে খুব সহজেই নতুন গ্রাহকরা আপনার পণ্য বা সেবা নিতে আগ্রহী  হবে।

ইউজার জেনারেটেড কনটেন্ট এর গুরুত্ব

তাই আমরা যদি সফলভাবে অনলাইন বা সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলিতে ব্যবসা করতে চাই তাহলে ইউজার জেনারেটেড কনটেন্ট আমাদের জন্য অনেক বেশি উপকারী হবে। এই কনটেন্ট গুলো আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্নভাবে সাহায্য করে থাকে যেমন, 

১। গ্রাহকের বিশ্বাস বৃদ্ধি পায়

বর্তমানে অনলাইন থেকে পণ্য নিতে গ্রাহকরা ভয় পান। কারণ গ্রাহকরা বিভিন্ন কারনে তাদের  বিশ্বাস  হারিয়েছে বিভিন্ন ভূয়া অনলাইন সাইট থেকে পণ্য ক্রয় করার মাধ্যমে।  অথবা তার পরিচিত কেউ হয়রানি হয়েছে অনলাইন থেকে পণ্য কেনার সময়। এ সকল কারণে অনেকেই অনলাইন থেকে কেনাকাটা করতে ভয় পান। যদি আমাদের কাছে আমাদের পুরাতন কাস্টমারের করা ভালো রিভিউ কনটেন্ট থাকে, তবে আমরা নতুন কাস্টমার এর কাছে বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠতে পরি। এ ধরনের রিভিউ কন্টেন্টের মাধ্যমে আমরা আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সাফল্যের দিকে নিয়ে যেতে পারি। 

২। বিক্রি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে 

আমাদের পণ্য ব্যবহারকারী কোন কাস্টমার যখন পণ্যের গুণগত মান এর প্রশংসা করে কোন কনটেন্ট লিখে  তার ব্যক্তিগত সোশ্যাল মিডিয়ায়  প্রকাশ করে তখন, তার লেখা কনটেন্ট দেখে অনেক নতুন  গ্রাহক আমাদের পণ্য নিতে আগ্রহী হয়ে থাকে। আমাদের সেল করা পণ্যটি হয়তো কেউ কিনতে চাচ্ছেন। তবে বিশ্বস্ত কোন পেইজ বা ওয়েবসাইট না পাওয়ার জন্য তিনি সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন। যখন আমাদের ওয়েবসাইটে ইউজার জেনারেটেড কনটেন্ট থাকবে তখন সে সকল কাস্টমার আমাদের পেজ বা ওয়েবসাইটকে সহজেই বিশ্বাস করতে পারে।

৩। কাস্টমারের সক্রিয়তা বৃদ্ধি হয়

যখন কোন গ্রাহক UGC কনটেন্ট  শেয়ার করে তখন নতুন কাস্টমার পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। এ সকল কনটেন্ট  এর মাধ্যমে আপনার  ব্যবসা কে ঘিরে নতুন একটি কাস্টমার কমিউনিটি তৈরি হয়। যার মাধ্যমে গ্রাহকের সক্রিয়তা বৃদ্ধি পায়। কাস্টমারের তৈরি করা এই কনটেন্ট গুলি আমরা আমাদের পেজ ও ওয়েবসাইটে ফিচার পোস্ট হিসেবে রাখতে পারি অথবা শেয়ার করতে পারি। এর মাধ্যমে আমাদের প্রতি কাস্টমারের  আস্থা বৃদ্ধি পাবে। এবং তিনি আমাদের কাছ থেকে পণ্য কিনতে নিরাপদ বোধ করবেন।

৪। SEO তে ভালো প্রভাব ফেলে

UGC কনটেন্ট আমাদের পেজ বা ওয়েবসাইটের SEO এর মান বৃদ্ধি করে। যখন আমাদের পণ্য ব্যবহারকারী  কাস্টমার আমাদের পণ্যের সম্পর্কে বিস্তারিত লিখে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার সাইটে শেয়ার করে, তখন আমাদের পণ্য নিয়ে বেশি আলোচনা হয়। তখন আমরা এই সকল আলোচনার মাধ্যমে অর্গানিক ভাবে  নতুন গ্রাহক পেতে পারি। যার মাধ্যমে আমাদের পেজ বা ওয়েবসাইটে  SEO এর  মান ও বৃদ্ধি পায়।

৫। বিনামূল্যে কনটেন্ট পাওয়া যায়

সাধারণত আমরা যে সকল কনটেন্ট আমাদের ওয়য়েবসাইটে ব্যবহার  থাকি তার জন্য আমাদেরকে কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে টাকা দিতে হয়। তবে যে সকল কনটেন্ট আমাদের কাস্টমার আমাদেরকে জেনারেটে করে দেন এর জন্য আমাদেরকে কোনো খরচ করতে হয় না। কারণ কাস্টমার আমাদের পণ্য ব্যবহার করে খুশি হয়ে  আমাদের পণ্য  সম্পর্কে নিজ ভাষায় লিখে থাকেন। যার জন্য করে আমাদের সময় এবং টাকা উভয়ের দরকার হয় না।

ইউজার জেনারেটেড কনটেন্ট পাওয়ার উপায়

গ্রাহকদের কাছ থেকে ইউজার জেনারেটেড কনটেন্ট পাওয়ার জন্য কতগুলো পদ্ধতি রয়েছে, যেমন, গ্রাহককে সব সময় ভালো পণ্য বা সেবা প্রদান করা, পণ্য সম্পর্কে গ্রাহকের কোন অভিযোগ থাকলে তা ভালোভাবে শুনে  সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা করা,  বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মৌসুমে  পন্যের উপর ডিসকাউন্ট অফার চালু করা, বিভিন্ন গিফট ভাউচার  চালু করা ইত্যাদি।  এ বিষয়গুলো ছাড়াও আমরা বিভিন্ন উপায়ে ইউজার জেনারেটেড কনটেন্ট পেতে পারি, তার মাঝে অন্যতম হচ্ছে, 

ইউজার জেনারেটেড কনটেন্ট পাওয়ার উপায়

১। আমাদেরকে অবশ্যই কাস্টমারের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।

২। গ্রাহককে পণ্য ডেলিভারির পর তিনি তা ঠিকভাবে পেলেন কিনা সে বিষয়ে খোঁজ নিতে হবে। পন্য ডেলিভারিতে কোন সমস্যা হলে তার সমাধান করা। অনেক সময় ডেলিভারিকারীর  অসাবধানতার কারণে পণ্যের ক্ষতি হয় গ্রাহক তা বুঝতে না পেরে পেজ বা ওয়েবসাইটকে দোষী মনে করে। এমন কোন সমস্যা হলে অবশ্যই তার ভালো কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

৩। সঠিকভাবে পণ্য ডেলিভারির পরে গ্রাহক পণ্যটি পেয়ে কি মতামত প্রকাশ করে তা জেনে নেওয়া যেতে পারে।

৪। বিভিন্ন সময়ে পণ্যের দামের উপর অফার দেওয়া যেতে পারে। অফার চলাকালীন অনেক নতুন কাস্টমার পণ্য কিনতে আগ্রহী হয়। যার মাধ্যমে আমরা নতুন কাস্টমার পেতে পারি।  এবং তাদের কাছে থেকে নতুন ইউজার জেনারেটর কনটেন্ট পেতে পারি।

৫। পেজ বা ওয়েবসাইটে  বিভিন্ন ধরনের কুইজ বা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা। গ্রাহকের চাহিদার উপর ভিত্তি করে নিজ পণ্য বা সেবা দ্বারা গ্রাহককে পুরস্কার প্রদান করা যেতে পারে।

৬। আপনার পেজ বা ওয়েবসাইট এ থাকা গ্রাহকদের সক্রিয় রাখতে পোল ক্রিয়েট করা যেতে পারে বিভিন্ন বিষয়ের উপরে ভিত্তি করে।

৭। গ্রাহকদের পণ্য ডেলিভারি করার সময় তাদেরকে ছোট ছোট কিছু গিফট হিসেবে দেওয়া যেতে পারে। এতে করে গ্রাহক অনেক খুশি হয়ে থাকে।

৮। যে সকল গ্রাহক নিয়মিত কেনাকাটা করেন তাদেরকে গিফট ভাউচার কার্ড উপহার হিসেবে দিতে পারেন। 

৯। গ্রাহক যাতে আপনার পেজ বা ওয়েবসাইটে সহজেই ইউজার জেনারেটেড কনটেন্ট দিতে পারে , তার জন্য আপনার পেজ বা ওয়েবসাইটে গ্রাহকদের মতামত বা অভিযোগ দেয়ার জন্য একটি সেকশন তৈরি করা। 

শেষ কথা

পরিশেষে বলা যায় যে, একটি নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার প্রচারনায়  ইউজার জেনারেটেড কনটেন্ট অধিক কার্যকরী। এটি অল্প সময়ে অল্প খরচে ব্যবসার প্রসারে  ব্যাপক ভূমিকা পালন করে। আপনি যদি অনলাইন সফলভাবে ব্যবসা করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই এ ধরনের কন্টেন্টকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। এবং সব সময় গ্রাহকদের ভালো পণ্য এবং সেবা দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। ভাল সেবা এবং পণ্য দিলে গ্রাহকরা এমনিতেই তাদের মূল্যবান মতামত প্রকাশ করবে।

এই ওয়েবসাইটের সকল কন্টেন্ট (ছবি, লেখা ইত্যাদি) অন্য কোথাও কপি করে বা পরিবর্তন করে পাবলিশ করার আইনত দন্ডনীয় অপরাধ। যদি কেউ এমন অপরাধমূলক কাজ করেন তাহলে DMCA পাঠানো সহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।



Leave a Reply